Jashore , Monday, 9 November 2026
সর্বশেষ:
যশোরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ী হত্যায় পল্লিচিকিৎসকসহ আটক ২ যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা, স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২ মাকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেফতার ৫ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব যশোর সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোরে বাওড় দখল ও মৎস্যজীবীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত যশোরে হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

দেশের ১০ জেলা হাসপাতালে চালু হচ্ছে আইসিইউ

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
দেশের প্রান্তিক ও জেলা পর্যায়ের সাধারণ মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করতে ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু করা হচ্ছে। সরকারের ‘জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি (ইআরপিপি)’ প্রকল্পের আওতায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এসব আইসিইউ স্থাপন করা হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে এই ১০টি হাসপাতালের আইসিইউ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নতুন করে যে ১০টি জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতালে এই জীবনরক্ষাকারী আইসিইউ সেবা চালু করা হচ্ছে, সেগুলো হলো, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল, শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল ও বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই আইসিইউ কেন্দ্রগুলোকে শতভাগ কার্যকর করতে ইতিমধ্যে প্রতিটি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ‘পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর’ (শিশুদের কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখার যন্ত্র) এবং আধুনিক অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে আইসিইউ পরিচালনার জন্য দক্ষ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্সসহ সংশ্লিষ্ট জনবলও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জেলা পর্যায়ে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয় ধরনের রোগীদের জন্যই উন্নতমানের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, জেলা পর্যায়ে এই আইসিইউগুলো পুরোদমে চালু হওয়ার ফলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় বড় একটি পরিবর্তন আসবে। এখন থেকে জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের উন্নত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ সেবার জন্য আর রাজধানী ঢাকা বা নিকটস্থ বড় বিভাগীয় শহরের দিকে ছুটতে হবে না।

এতে একদিকে যেমন রোগীদের যাতায়াতের পেছনে বড় অঙ্কের খরচ ও ভোগান্তি কমবে, অন্যদিকে সময়মতো স্থানীয় পর্যায়ে জরুরি উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার ফলে বহু মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 09:46 am, Sunday, 14 June 2026
46 Time View

দেশের ১০ জেলা হাসপাতালে চালু হচ্ছে আইসিইউ

Update Time : 09:46 am, Sunday, 14 June 2026

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
দেশের প্রান্তিক ও জেলা পর্যায়ের সাধারণ মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করতে ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু করা হচ্ছে। সরকারের ‘জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি (ইআরপিপি)’ প্রকল্পের আওতায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এসব আইসিইউ স্থাপন করা হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে এই ১০টি হাসপাতালের আইসিইউ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নতুন করে যে ১০টি জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতালে এই জীবনরক্ষাকারী আইসিইউ সেবা চালু করা হচ্ছে, সেগুলো হলো, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল, শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল ও বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই আইসিইউ কেন্দ্রগুলোকে শতভাগ কার্যকর করতে ইতিমধ্যে প্রতিটি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ‘পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর’ (শিশুদের কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখার যন্ত্র) এবং আধুনিক অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে আইসিইউ পরিচালনার জন্য দক্ষ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্সসহ সংশ্লিষ্ট জনবলও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জেলা পর্যায়ে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয় ধরনের রোগীদের জন্যই উন্নতমানের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, জেলা পর্যায়ে এই আইসিইউগুলো পুরোদমে চালু হওয়ার ফলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় বড় একটি পরিবর্তন আসবে। এখন থেকে জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের উন্নত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ সেবার জন্য আর রাজধানী ঢাকা বা নিকটস্থ বড় বিভাগীয় শহরের দিকে ছুটতে হবে না।

এতে একদিকে যেমন রোগীদের যাতায়াতের পেছনে বড় অঙ্কের খরচ ও ভোগান্তি কমবে, অন্যদিকে সময়মতো স্থানীয় পর্যায়ে জরুরি উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার ফলে বহু মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।