Jashore , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
যশোরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ী হত্যায় পল্লিচিকিৎসকসহ আটক ২ যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা, স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২ মাকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেফতার ৫ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব যশোর সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোরে বাওড় দখল ও মৎস্যজীবীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত যশোরে হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই বারবার মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়েছে। চ্যানেল 24 এর অনুসন্ধানে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মিরপুরের বাসা থেকে জসিমকে গ্রেপ্তার করে সিআইডির সাইবার পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর অকপটে নিজের অপকর্মের কথা স্বীকার করেন তিনি।

সাইবার পুলিশের এডিশনাল পুলিশ সুপার সুমন কুমার দাস বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বারবার ফাঁস হয়েছে। প্রেসের মেশিনম্যান সালাম এবং তার খালাতো ভাই জসীম মিলে দেশব্যাপী একটি চক্র গড়ে তুলেছিলেন। চক্রটির মাধ্যমে শত শত শিক্ষার্থী টাকার জোরে মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তি হয়েছে। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানে পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করেছে সিআইডির তদন্তকারী দল।

সিআইডি আরও জানায়, ইতোমধ্যে মাস্টারমাইন্ড জসিম উদ্দিন ভূইয়াসহ চক্রের ৩ সদস্য সিআইডির সাইবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। এছাড়া অধিদপ্তরের ক্ষমতাবান কর্তাদের মদদে প্রেস থেকে বহু বছর ধরে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করতেন মেশিনম্যান আবদুস সালাম। তার খালাতো ভাই জসিমের কাজ ছিল সারাদেশে প্রশ্ন ছড়িয়ে দেয়া। এ জন্য একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ছিল তার। দেশব্যাপী চক্রটির প্রায় অর্ধশত সহযোগীর খোঁজ পাওয়া গেছে। এর মাধ্যমে তারা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জসিমউদ্দিন ভূইয়া মুন্নু (৪৫), পারভেজ খান (৩২) ও জাকির হাসান দিপুকে (৪০) গ্রেপ্তার করে। আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র হিসেবে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রেস থেকে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করতো।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় ২০ জুলাই এজাহারনামীয় ১৪ জনসহ অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে সিআইডি। তাদের মধ্যে জসিমের কাছ থেকে ২ কোটি ২৭ লাখ সঞ্চয়পত্র, ২ কোটি ৩০ লাখ চেক এবং পারভেজের কাছ থেকে ৮৪ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়েছে

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 05:40 pm, Thursday, 23 July 2020
46 Time View

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়েছে।

Update Time : 05:40 pm, Thursday, 23 July 2020

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই বারবার মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়েছে। চ্যানেল 24 এর অনুসন্ধানে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মিরপুরের বাসা থেকে জসিমকে গ্রেপ্তার করে সিআইডির সাইবার পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর অকপটে নিজের অপকর্মের কথা স্বীকার করেন তিনি।

সাইবার পুলিশের এডিশনাল পুলিশ সুপার সুমন কুমার দাস বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বারবার ফাঁস হয়েছে। প্রেসের মেশিনম্যান সালাম এবং তার খালাতো ভাই জসীম মিলে দেশব্যাপী একটি চক্র গড়ে তুলেছিলেন। চক্রটির মাধ্যমে শত শত শিক্ষার্থী টাকার জোরে মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তি হয়েছে। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানে পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করেছে সিআইডির তদন্তকারী দল।

সিআইডি আরও জানায়, ইতোমধ্যে মাস্টারমাইন্ড জসিম উদ্দিন ভূইয়াসহ চক্রের ৩ সদস্য সিআইডির সাইবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। এছাড়া অধিদপ্তরের ক্ষমতাবান কর্তাদের মদদে প্রেস থেকে বহু বছর ধরে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করতেন মেশিনম্যান আবদুস সালাম। তার খালাতো ভাই জসিমের কাজ ছিল সারাদেশে প্রশ্ন ছড়িয়ে দেয়া। এ জন্য একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ছিল তার। দেশব্যাপী চক্রটির প্রায় অর্ধশত সহযোগীর খোঁজ পাওয়া গেছে। এর মাধ্যমে তারা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জসিমউদ্দিন ভূইয়া মুন্নু (৪৫), পারভেজ খান (৩২) ও জাকির হাসান দিপুকে (৪০) গ্রেপ্তার করে। আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র হিসেবে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রেস থেকে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করতো।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় ২০ জুলাই এজাহারনামীয় ১৪ জনসহ অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে সিআইডি। তাদের মধ্যে জসিমের কাছ থেকে ২ কোটি ২৭ লাখ সঞ্চয়পত্র, ২ কোটি ৩০ লাখ চেক এবং পারভেজের কাছ থেকে ৮৪ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়েছে