Jashore , Monday, 9 November 2026
সর্বশেষ:
যশোরে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ী হত্যায় পল্লিচিকিৎসকসহ আটক ২ যশোরে কবিরাজ পরিচয়ে প্রতারণা, স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার ২ মাকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেফতার ৫ প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি সচিব যশোর সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য আটক যশোরে বাওড় দখল ও মৎস্যজীবীদের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরে নানা আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত যশোরে হামিদপুর আল-হেরা কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ৭ নভেম্বরের মতো দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

টানা ৪১ বছর, জঙ্গল পালিয়ে থেকে শিকার ছিল একমাত্র ভরসা,খাবার খেত বাদুড়, ইঁদুর খেতে শিখেছেন ল্যাং

আন্তর্জাতিক সংবাদ// এ যেন বাস্তবের টারজান! ১৯৭২ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় প্রাণে বাঁচতে দুই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছিলেন বাবা।

সেই থেকে টানা ৪১ বছর, জঙ্গল থেকে বাইরে আসেননি হু ভ্যান ল্যাং। জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই মানব সভ্যতার যোজন যোজন দূরে বাস করেছেন।

যে কারণে মানবজীবনের অনেক জৈবিক চাহিদার বোধই তৈরি হয়নি ল্যাংয়ের মধ্যে।তিনি যৌনতা, নারী, সমাজ, রাষ্ট্র— কোনও কিছুই বোঝেন না।

২০১৩ সালে নিঃশব্দে উদ্ধার করা হয় ল্যাংকে। স্থানীয় একটি গ্রামে এনে রাখা হয় তাকে। তারপর থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক মানবজীবনের সঙ্গে পরিচয় হতে থাকে ল্যাংয়ের। মানবসভ্যতার সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে শুরু করেছেন তিনি। প্রকাশ্যে এসেছে তার অজানা সেই গল্প।

এ্যাভভাইজারমেন্ট ভিয়েতনাম যুদ্ধে ল্যাংয়ের মা ও এক ভাইয়ের মৃত্যু হয়। অপর দুই সন্তানকে নিয়ে জঙ্গলে পালিয়ে যান ল্যাংয়ের বাবা। তারপর থেকে শিকার করে খাবার জোগাড় করতে বাদুড়, ইঁদুর খেতে শিখেছেন ল্যাং।

এই পুরো বনবাসের মধ্যে কোনোদিন যৌনতা বা নারীদের নিয়ে বাবা একটিও কথা বলেননি ল্যাংকে। ল্যাংও কোনোদিন যৌন চাহিদা বোধ করেননি।

এমনকি পরে যখন ল্যাংয়ের বাবাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়, তখনও তিনি আসতে চাননি। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন, ভিয়েতনামের যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। ২০১৫ সালে এই অদ্ভুত পরিবারের কথা প্রথম জানতে পারেন একজন চিত্রগ্রাহক।

তিনি যখন ছবি তুলতে যান, তখন তাকে দেখে ভয়ে, আতঙ্কে পালিয়ে গিয়েছিলেন ল্যাং ও তার বাবা।ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কিন্তু ল্যাংদের কথা তখনই প্রকাশ্যে আনলে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার আগেই সংবাদমাধ্যমের ভিড় জমতে শুরু করত।

তাতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়তেন তারা। সে কারণে এতদিন পর তারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন। আনন্দবাজার।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 04:02 pm, Thursday, 25 November 2021
25 Time View

টানা ৪১ বছর, জঙ্গল পালিয়ে থেকে শিকার ছিল একমাত্র ভরসা,খাবার খেত বাদুড়, ইঁদুর খেতে শিখেছেন ল্যাং

Update Time : 04:02 pm, Thursday, 25 November 2021

আন্তর্জাতিক সংবাদ// এ যেন বাস্তবের টারজান! ১৯৭২ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় প্রাণে বাঁচতে দুই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছিলেন বাবা।

সেই থেকে টানা ৪১ বছর, জঙ্গল থেকে বাইরে আসেননি হু ভ্যান ল্যাং। জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই মানব সভ্যতার যোজন যোজন দূরে বাস করেছেন।

যে কারণে মানবজীবনের অনেক জৈবিক চাহিদার বোধই তৈরি হয়নি ল্যাংয়ের মধ্যে।তিনি যৌনতা, নারী, সমাজ, রাষ্ট্র— কোনও কিছুই বোঝেন না।

২০১৩ সালে নিঃশব্দে উদ্ধার করা হয় ল্যাংকে। স্থানীয় একটি গ্রামে এনে রাখা হয় তাকে। তারপর থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক মানবজীবনের সঙ্গে পরিচয় হতে থাকে ল্যাংয়ের। মানবসভ্যতার সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে শুরু করেছেন তিনি। প্রকাশ্যে এসেছে তার অজানা সেই গল্প।

এ্যাভভাইজারমেন্ট ভিয়েতনাম যুদ্ধে ল্যাংয়ের মা ও এক ভাইয়ের মৃত্যু হয়। অপর দুই সন্তানকে নিয়ে জঙ্গলে পালিয়ে যান ল্যাংয়ের বাবা। তারপর থেকে শিকার করে খাবার জোগাড় করতে বাদুড়, ইঁদুর খেতে শিখেছেন ল্যাং।

এই পুরো বনবাসের মধ্যে কোনোদিন যৌনতা বা নারীদের নিয়ে বাবা একটিও কথা বলেননি ল্যাংকে। ল্যাংও কোনোদিন যৌন চাহিদা বোধ করেননি।

এমনকি পরে যখন ল্যাংয়ের বাবাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়, তখনও তিনি আসতে চাননি। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন, ভিয়েতনামের যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। ২০১৫ সালে এই অদ্ভুত পরিবারের কথা প্রথম জানতে পারেন একজন চিত্রগ্রাহক।

তিনি যখন ছবি তুলতে যান, তখন তাকে দেখে ভয়ে, আতঙ্কে পালিয়ে গিয়েছিলেন ল্যাং ও তার বাবা।ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কিন্তু ল্যাংদের কথা তখনই প্রকাশ্যে আনলে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার আগেই সংবাদমাধ্যমের ভিড় জমতে শুরু করত।

তাতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়তেন তারা। সে কারণে এতদিন পর তারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন। আনন্দবাজার।